সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
MaasrangaNews

অন্যান্য

কূটনৈতিক সম্পর্কের অজুহাতে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত দলিল ও সত্যকে ভুলবার সুযোগ নেই

কূটনৈতিক সম্পর্কের অজুহাতে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত দলিল ও সত্যকে ভুলবার সুযোগ নেই

​একটি ছবি বা প্রতীকের চেয়ে তার পেছনের সত্য ইতিহাস প্রকাশ করাই মূল বিষয় ​সম্প্রতি ডাকসু ভবনের সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং ইসলামী ছাত্র সংঘের তৎকালীন নেতা আবদুল মালেকের ছবি রাখা কেন্দ্র করে তৈরি বিতর্ক কেবল ছবি সরানো বা রাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এর মাধ্যমে তৈরি হয়েছে একটি বড় প্রশ্ন—ইতিহাসের বিতর্কিত চরিত্রদের ইতিহাস থেকে বাদ দেওয়া উচিত, নাকি তাদের নেতিবাচক ভূমিকা ও রাজনৈতিক বাস্তবতার নথিসহ সামনে রাখা প্রয়োজন?

​ইতিহাস কোনো দৃশ্যমান ছবি কিংবা স্লোগান দিয়ে তৈরি হয় না; ইতিহাস গঠিত হয় দীর্ঘ আন্দোলন, মানুষের অধিকারের সংগ্রাম, রক্ত ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে। ১৯৪৮ সালে ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের মাতৃভাষার দাবি থেকে শুরু করে ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা, ১৯৭০-এর নির্বাচন এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে।

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯৪৮ সালেই মারা গেলেও, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে তার উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার অবস্থান ছিল বাঙালিদের ওপর বৈষম্যের সূচনা। অন্যদিকে, ১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের তৎকালীন ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘের ভূমিকা স্বাধীনতাবিরোধী হিসেবে ইতিহাসে সংরক্ষিকোনো ব্যক্তি বা দলকে আর্কাইভে স্থান দেওয়ার অর্থ এই নয় যে তাদের অপকর্মকে সমর্থন দেওয়া হচ্ছে; বরং তাদের বিতর্কিত অবস্থান ও ইতিহাসের সত্য তুলে ধরাই একটি জাদুঘরের প্রধান কাজ।

​বর্তমান সময়ের রাজনৈতিক পরিবর্তন বা নির্বাচনী ফলাফল যেমন অতীতে ঘটে যাওয়া অপরাধকে মুছে দিতে পারে না, তেমনি সত্য ইতিহাস লুকানোর চেষ্টাও ব্যর্থ হতে বাধ্য।

ছবি ছিঁড়ে ফেলা কিংবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কোনো চরিত্রকে ঢাকতে চাওয়া কোনো সুস্থ ইতিহাস চর্চা নয়। নতুন প্রজন্মের সামনে অর্ধসত্য বা আবেগ না চাপিয়ে, জিন্নাহর বক্তব্য থেকে শুরু করে ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের প্রস্তাব এবং ১৯৭১-এর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের মতো সমস্ত নিরপেক্ষ ও ঐতিহাসিক দলিল তুলে ধরাই হলো ডাকসুসহ প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান দায়িত্ব।

আরও

বসুন্ধরা আইসিসিবির প্রিমিয়াম প্রাঙ্গণে জমজমাট ‘সুপার সেল কার বাজার’

অন্যান্য

বসুন্ধরা আইসিসিবির প্রিমিয়াম প্রাঙ্গণে জমজমাট ‘সুপার সেল কার বাজার’

দেশের অন্যতম শীর্ষ ও আধুনিক আন্তর্জাতিক মানের প্রদর্শনী কেন্দ্র ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি) প্রাঙ্গণ...

২০২৬-০৯-১৭ ২১:১৮

বিপিসির সাবেক কর্তাদের এজাজ-প্রতিষ্ঠানে যোগ, প্রশ্ন স্বার্থসংঘাত নিয়ে

অন্যান্য

বিপিসির সাবেক কর্তাদের এজাজ-প্রতিষ্ঠানে যোগ, প্রশ্ন স্বার্থসংঘাত নিয়ে

রাষ্ট্রীয় জ্বালানি ক্রয়ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা কয়েকজন কর্মকর্তা অবসরের পরই যুক্ত হয়েছেন বেসরকারি একটি ব্যবস...

২০২৬-০৯-১৬ ১৬:০৫

আইসিসিবির বিশাল আয়োজনে পর্যটনের নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে

অন্যান্য

আইসিসিবির বিশাল আয়োজনে পর্যটনের নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে

দেশ-বিদেশ ভ্রমণের নানা আয়োজন, পর্যটন পণ্য ও সেবার প্রদর্শনী এবং পর্যটন বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা নিয়ে রাজধানীর বুকে শুরু হ...

২০২৬-০৯-১৫ ১৯:১৩

বৈষম্যবিরোধী অঙ্গীকার থেকে ১১ হাজার কোটি টাকার কেলেঙ্কারি

অন্যান্য

বৈষম্যবিরোধী অঙ্গীকার থেকে ১১ হাজার কোটি টাকার কেলেঙ্কারি

বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গঠিত হয়েছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। তব...

২০২৬-০৯-১৪ ১৭:৪৫

বিপিসির জ্বালানি আমদানিতে একই বলয়ের ছয় সরবরাহকারী

অন্যান্য

বিপিসির জ্বালানি আমদানিতে একই বলয়ের ছয় সরবরাহকারী

সরকার বদলেছে, বদলেছে জ্বালানি খাতের নীতিনির্ধারণের কাঠামোও। কিন্তু বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) জ্বালানি আমদ...

২০২৬-০৯-১৪ ১৩:০৩

বিদ্যুতের পুঞ্জীভূত সংকটে শুধু মন্ত্রীকে দোষারোপ কতটা যৌক্তিক?

অন্যান্য

বিদ্যুতের পুঞ্জীভূত সংকটে শুধু মন্ত্রীকে দোষারোপ কতটা যৌক্তিক?

কে না জানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অন্যসব রাজনীতিবিদের মতো কাজে-কর্মে এখন আর গতানুগতিক নন। কে না জানে রাষ্ট্রের শীর্ষ...

২০২৬-০৯-১৩ ১৩:৩০